আগামী ২৬ ডিসেম্বর লোহাগাড়ার ৬ ইউপির নির্বাচন। তারই ধারাবাহিকতায় আসন্ন চরম্বা ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাস্টার মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। ইতিমধ্যে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এই সময় তিনি বলেন, এই নৌকা গণমানুষের নৌকা, এই নৌকা জাতির পিতার নৌকা, এই নৌকা শেখ হাসিনার নৌকা। আগামী ২৬ ডিসেম্বর চরম্বা সর্বস্তরের জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য, জনসাধারণের কাছে দোয়া, সহযোগীতা কামনা করছি।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর চরম্বা প্রচার-প্রচারণা

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ৩৮ দেশে শনাক্ত হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত এই ধরনে আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এসব তথ্য জানিয়েছে। ব্যাপকভাবে জিনগত রূপ পরিবর্তনে সক্ষম এই ধরনের বিস্তার ঠেকাতে বিশ্বব্যাপী নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। সবশেষ যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয়ভাবে ওমিক্রনে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। ওমিক্রনের প্রকোপে দক্ষিণ আফ্রিকায় মোট আক্রান্ত ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ওমিক্রন ধরনের সংক্রমণে এখনো কোনো মৃত্যুর কথা তারা জানতে পারেনি। তবে নতুন এই ধরন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় সব দেশকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, আগামী কয়েক মাসে ইউরোপে মোট কোভিড সংক্রমণের অর্ধেকই হতে পারে ওমিক্রনের কারণে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, ডেলটার মতো নতুন এ ধরনও বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের গতি কমবে।

৩৮ দেশে ছড়াল ওমিক্রন, মৃত্যু নেই: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

পার্বত্য বান্দরবান এর পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা নদী সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী। পাহাড়ের পাদদেশে সবুজের মেলা ও বয়ে চলা পাহাড়ি ঝর্না। নৃতাত্ত্বিক ১১টি জাতিগোষ্ঠীর পাহাড়ের গায়ে ছোট ছোট মাচাং ঘরে বসবাস। জুম চাষ, দিন শেষে ঘরে ফেরা, সন্ধ্যায় পাখির কলকাকলি, বৈশাখের উৎসব মিলিয়ে রূপকথার কোনো কল্পকাহিনী মনে হলেও এর সবই রয়েছে বান্দরবানে। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশী পর্যটকদের কাছে বান্দরবান একটি অতি প্রিয় গন্তব্য হতে শুরু করেছে। সবুজের সমারোহে, পাহাড়ের নিস্তব্ধতায়, প্রিয়জনদের নিয়ে একান্ত সান্নিধ্যে কয়েকটা দিন স্মরণীয় করতে অনেকেই অতিথি হন বান্দরবানে। অনেকের মতে, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নান্দনিক পর্যটন স্পটের নাম পার্বত্য বান্দরবান জেলা।

কিন্তু কোভিট-১৯ করোনা ভাইরাস পর্যটন ব্যবসায়ে ব্যাপক ধস নেমেছে। পাহাড়ে ছিলনা কোন কোলাহল। থেমে ছিল হৈ হুল্লোর আর আনন্দ উল্লাস। প্রতি বছর ঈদ, সরকারী ছুটি সহ প্রতিনিয়ত পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় থাকলেও গত দুই বছর পাহাড়ে ভিন্ন চিত্র,নেই কোন পর্যটকের আনাগোনা, এতে করে কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।

করোনার প্রকোপ কমায় ইতিমধ্যে  পর্যটন স্পট সহ হোটেল মোটেল খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

জেলার পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রা জানান, পর্যটন মৌসুমে জেলা শহর ও উপজেলার প্রায় ৬০টি আবাসিক হোটেল-মোটেলে দৈনিক পাঁচ হাজারের বেশি পর্যটক আসেন। পর্যটকদের সেবায় প্রায় ১ হাজার ২৫০ জন কর্মী, ৩৫০ জন ট্যুরিস্ট গাইড, পাঁচ শতাধিক গাড়ি চালক ও চালকের সহকারী এবং খাবারের দোকানের কর্মচারীদের কর্মসংস্থান হয়ে থাকে।

বান্দরবানে খুলে দেয়া হচ্ছে সব পর্যটন কেন্দ্র

আমাদের পেজ লাইক করুন

error: Content is protected !!