নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় হাজী মোহাম্মদ ইউসুফের সম্পত্তি নিয়ে কথিত আমমোক্তারনামা তৈরি ও নিবন্ধনের অভিযোগ সংক্রান্ত একটি সংবাদে অভিযুক্ত বা মামলার আসামি না হয়েও তাঁর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঈসা চৌধুরী।
ঈসা চৌধুরীর দাবি, প্রকাশিত সংবাদটির মূল বিষয় ছিল হাজী মোহাম্মদ ইউসুফের সম্পত্তি নিয়ে কথিত আমমোক্তারনামা, জাল স্বাক্ষর ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের অভিযোগ। কিন্তু ওই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অভিযোগ বা সংশ্লিষ্টতার তথ্য না থাকা সত্ত্বেও সংবাদে তাঁর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে পাঠকের কাছে তাঁর বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও ভুল ধারণা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, “আমি ওই ঘটনার কোনো অভিযুক্ত নই এবং আমার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে কোনো মামলা বা অভিযোগও নেই। অথচ সংবাদে আমার ছবি ব্যবহার করায় আমার সামাজিক ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। কিন্তু সংশ্লিষ্টতা না থাকা একজন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করে তাকে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক।”
ঈসা চৌধুরী আরও বলেন, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়, ছবি ও ঘটনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তি অভিযুক্ত না হলে তাঁর ছবি এমন কোনো সংবাদের সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ পাঠকের কাছে তিনি অভিযুক্ত বা মামলার সঙ্গে জড়িত বলে মনে হতে পারেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই, ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিতকরণ এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণের অনুরোধ জানান।
ঈসা চৌধুরী বলেন, তিনি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো নিরপরাধ বা সংশ্লিষ্টতাহীন ব্যক্তির ছবি ভুলভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে যেন তাঁর সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোর আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
তিনি এ ঘটনার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে এমন অনিচ্ছাকৃত ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার আহ্বান জানান।